কৃষকদের থেকে বর্ধিত দামে ধান কিনতে কী উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য?
ধান কেনা নিয়ে ইতিমধ্যেই খাদ্য ভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেছিলেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার এবং শীর্ষ আধিকারিকরা।
Authored By:

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: কৃষকদের থেকে বর্ধিত দামে ধান কিনতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য। চলতি খরিফ মরশুমে আরও ৭-৮ লক্ষ টন ধান কিনবে রাজ্য। ধান কেনা নিয়ে ইতিমধ্যেই খাদ্য ভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেছিলেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার এবং শীর্ষ আধিকারিকরা। খাদ্যসচিব পারভেজ আমেদ সিদ্দিকি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলাশাসক ও জেলার খাদ্যদপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সারেন। খবর মিলেছে, শীঘ্রই ধান কেনা নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হবে। বর্ধিত দর, ক্রয় প্রক্রিয়া সংক্রান্ত নিয়মের ছাড়ের কথাও উল্লেখ থাকতে পারে সেখানে। বেশি পরিমাণে ধান দ্রুত কেনার জন্য, আপাতত কৃষকদের আধারের বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হবে না। কৃষকদের থেকে ৯০ কুইন্টাল ধান কেনা হবে।
অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলা আগামী খরিফ মরশুমের জন্য কুইন্টাল পিছু ২১৮৩ টাকা নূন্যতম সহায়ক মূল্য ধার্য করেছে মোদী সরকার। চলতি খরিফ মরশুমে ১৪৩ টাকা দাম বেড়েছে। স্থায়ী ক্রয়কেন্দ্রে ধান কেনা হবে ২২০৩ টাকা প্রতি কুইন্টাল দামে। অস্থায়ী শিবিরে ২১৮৩ টাকা দরে ধান কেনা হবে। স্থায়ী কেন্দ্রে ২০ টাকা করে বোনাস দেওয়া হয়। তাই কৃষকরা কিছুটা বেশি দাম পান।
ইতিমধ্যেই সরকারি উদ্যোগে প্রায় ৫০ লক্ষ টন ধান কেনা হয়েছে। রেশন সরবারহ, মিড ডে মিল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্য পর্যাপ্ত চাল সরকারের কাছে রয়েছে। কিন্তু রাজ্যের নিজস্ব রেশন প্রকল্পের গ্রাহকদের জন্য আগামীতে আরও চাল প্রয়োজন। সেই কারণে দ্রুত ধান কেনার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের স্বার্থে খোলাবাজার থেকে চাল কেনার বদলে, কৃষকদের থেকেই চাল কিনছে রাজ্য।